ইউটিউব চ্যানেল Vox এর সেরা ভিডিওগুলো

Vox, সাম্প্রতিক সময়ে এই ইউটিউব চ্যানেলটা বেশ নজরকাড়া কাজ করছে। খুব অল্প সময়ে ওদের বেশ নামডাকও হয়ে গেছে। ওদের ভিডিওগুলো চমৎকার শিক্ষামূলক। বেশ কয়েকটা ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করে ওরা। Understand the News ক্যাটাগরিতে সাম্প্রতিক খবরগুলো আসলেই কী বোঝাচ্ছে বা ওদের গুরুত্বটা আসলে কোথায়, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। Observatory ক্যাটাগরিতে বিজ্ঞান সংক্রান্ত ভিডিও বানানো হয়। 2016ish ক্যাটাগরিতে ২০১৬ সালের ঘটনাগুলো ফোকাস করা হয়। এমন আরো আছে Almanac, Culture, ইত্যাদি। প্রায় প্রতিদিনই ওরা ভিডিও রিলিজ করে থাকে, এবং আমার মতে সবই দেখা উচিৎ। কিন্তু সময় অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। তাই, আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে বা সবচেয়ে জরুরি মনে হয়েছে, এমন ভিডিওগুলো নিয়ে একটা তালিকা বানালাম। আশা করি, কাজে লাগবে। এটা আমার তালিকা, অন্য কেউ বানালে ভিন্ন একটা তালিকা বানাবে, স্বাভাবিক। আপনাদের কারো কাছে কোনো ভিডিও খুব জরুরি মনে হলে কমেন্টে আমাকে জানাতে পারেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমি শুধু দুটো ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি ভিডিওগুলোকে – বিজ্ঞান এবং ইতিহাস। ইতিহাসের ভিডিওগুলোর লিংকও বিজ্ঞানযাত্রাতেই দিলাম, কারণ এগুলো দেখলে চিন্তা করার উপকরণ পাবেন, লজিক এবং ফ্যালাসি সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর এগুলোর বেশ কিছুতে বিজ্ঞানও মিশে আছে। আসুন, শুরু করি।

বিজ্ঞান

1) Proof of evolution in your body –

আমাদের শরীরেই লুকিয়ে আছে বিবর্তনের সুস্পষ্ট চিহ্ন। আমাদের শরীরে এমন বেশ কিছু বৈশিষ্ট্যের ছাপ রয়ে গেছে, যেগুলো আসলে আমাদের সুদূর অতীত পূর্বপুরুষদের মধ্যে সক্রিয় ছিলো। এই পৃথিবীর প্রাণিকুলের সাথে আমাদের সম্পর্ক যে কত গভীর, সেটা এই ভিডিও থেকে দেখা যাবে।

2) Climate change, still happening –

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অনেক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা আমাদেরকে সতর্ক করে আসছেন। কিন্তু আমরা কি শুনছি তাদের কথা? জলবায়ু পরিবর্তন হয়েই চলেছে, এবং সেটার সাম্প্রতিক খবরগুলো নিয়েই এই ভিডিও।

3) Exercise is not the way to lose weight –

এটা একটা প্রচলিত বিশ্বাস যে ব্যায়াম করলে ওজন কমে। কিন্তু এই ব্যাপারে বিজ্ঞান কী বলে? এবং আশ্চর্য হলেও সত্যি, ব্যায়ামের অন্যান্য অনেক শারীরিক এবং মানসিক কার্যকারিতা থাকলেও ওজন কমানোর ব্যাপারে আসলে এটা কাজ করে না। কেন? বিস্তারিত দেখুন এই ভিডিওতে।

4) What Bill Gates is afraid of? –

পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের একজন বিল গেটস। তিনি কোন জিনিসটাকে ভয় পান? উত্তরটা হচ্ছে মহামারী। প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যতজন মারা গিয়েছিলো, সেটার ভয়াবহতা সবাই জানে। কিন্তু দুই বিশ্বযুদ্ধের মাঝখানে যে মৃত্যুর আরেকটা বিশাল পরিসংখ্যান ছিলো (প্রায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মৃত্যুর সমান), এটা অনেকেই দেখেও দেখে না। আর সেটা ঘটেছিলো মহামারীর কারণে। এমন যদি আরেকবার হয়, সেটা বৈশ্বিক মহামারী হবে। আর এটাকেই বিল গেটস সবচেয়ে বেশি ভয় পান। এর সমাধানের একমাত্র পথ, বিজ্ঞান।

5) No shark in aquarium –

বিশাল এক্যুরিয়ামগুলোতে যে রকম বড় বড় প্রাণী রাখা হয়, তাদের অনেকের তুলনায় হাঙর ছোটো। তবু কেন এক্যুরিয়ামে হাঙর রাখা হয় না? উত্তরটা বেশ চমকপ্রদ।

6) It’s not you: Bad doors are everywhere –

দরজা খুলতে গিয়ে প্রায়ই দেখবেন যে PUSH লেখা থাকার পরেও আপনি PULL করছেন, অথবা PULL লেখা থাকার পরেও PUSH করছেন। অনেক ক্ষেত্রেই দরজা দুদিকেই খোলে বলে আপনি বেঁচে যান। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে PUSH লেখা থাকলে ধাক্কাই দিতে হয়, টেনে লাভ হয় না। তবু আপনি ধাক্কা না দিয়ে টেনেই খোলার চেষ্টা করেন, এবং নিজেই বেকুব হয়ে যান। এই ভিডিওতে দেখুন, একজন বিশেষজ্ঞ ব্যাখ্যা করছেন যে দোষটা আসলে আপনার না, দরজারই; অথবা দরজা যারা বানিয়েছে, তাদের।

7) What people get wrong about Climate Change –

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এত কথা হয়, তবু মানুষের মধ্যে এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ রয়ে গেছে। সেরকমই একটা দুঃখজনক ব্যাপার নিয়ে এই ভিডিওটা।

8) One simple Math problem confusing thousands –

সমস্যাটার নাম হচ্ছে মন্টি-কার্লো সমস্যা। এবং এটা যুগ যুগ ধরে অনেক সাধারণ মানুষকেই বিভ্রান্ত করেছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা এটার উত্তর দিয়ে রেখেছেন অনেক আগেই, কিন্তু কেন যেন মানুষ সেটা বিশ্বাস করতে পারে না।

9) Why every picture of black hole is an illustration? –

কৃষ্ণগহ্বরের যত ছবি আপনারা আজ পর্যন্ত দেখেছেন, কোনোটাই আসল ছবি না। হাবল টেলিস্কোপ অনেক দূর দূরান্তের ছবি তুলতে পেরেছে, কিন্তু কৃষ্ণগহ্বরের কোনো ছবি তুলতে পারেনি। কারণ, কৃষ্ণগহ্বর তো কোনো আলো প্রতিফলন করে না, শোষণ করে নেয়। এটাকে শুধু তার ব্যাপক মহাকর্ষের কারণে অস্তিত্ব নিশ্চিত করা যায়।

10) How space wreaks havoc on human body.

মহাকাশ যাত্রার জন্য আমাদের অসীম আগ্রহ। কিন্তু এখনো আমরা এই যাত্রাতে একেবারেই হাঁটি হাঁটি পা পা। আর পৃথিবী যেমন আমাদের জন্য মনোমুগ্ধকর স্বর্গ, মহাকাশ তেমন নয়। মানবশরীরের জন্য মহাকাশ খুব একটা উপযুক্ত না। এখন আমরা এসব নিয়ে জানছি, এগুলোকে মোকাবিলা করেই আমাদেরকে সামনে এগোতে হবে।

11) Solar and Lunar Eclipse explained.

সূর্য এবং চন্দ্র গ্রহণ কিভাবে হয়, সেটা নিয়ে এই ভিডিওটা। অনেকের এই ব্যাপারে অনেক দ্বিধা, অনেকেরই জ্ঞানে বিশাল ফাঁক আছে। তারা ঝটপট এই ভিডিওটা দেখে ফেলুন।

12) Late sleeper? Blame your genes.

আমি নিজেই এই সমস্যাটাতে মারাত্মকভাবে ভুগি। আমার কোনোভাবেই রাতে ঘুমাতে ইচ্ছা হয় না। আবার দিনের বেলা আমি আমার সর্বোচ্চ মাত্রার পরিশ্রম করতে পারি না। অবশেষে এই ভিডিও দেখে বুঝতে পারলাম যে কাহিনীর রহস্য আসলে আমার জিনে লুকিয়ে আছে।

13) No. 1 reason people die early, in each country

কোন দেশে কোন কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়, সেটা নিয়ে এই ভিডিও। এখান থেকে মানুষের অভ্যাসগুলো টের পাওয়া যায়।

ইতিহাস

1) Women clothing size makes no sense –

মেয়েদের ড্রেসের সাইজ একেক দোকানে একেক রকম, কিনতে গেলে কোনো তাল পাওয়া যায় না। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, এটা নিয়ে আর এমন কীইবা ভিডিও বানানো যায়? কিন্তু Vox এর বিশেষত্ব এখানেই; ওরা মামুলি ঘটনাগুলোর পেছনে অসাধারণ কারণগুলো বের করতে সিদ্ধহস্ত। কেন মেয়েদের ড্রেস সাইজ একেক জায়গায় একেক রকম – এটার উত্তর পেতে হলে যেতে হবে সেই আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময়ে।

2) From Lincoln to Trump –

আপনারা সবাই জানেন যে, আমেরিকাতে এখন প্রধান রাজনৈতিক দল দুটো – রিপাবলিকান আর ডেমোক্র্যাটিক। রিপাবলিকানরা রক্ষণশীল আর ডেমোক্র্যাটরা উদারমনা। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, ব্যাপারটা একসময় সম্পূর্ণ ১৮০ ডিগ্রী উল্টো ছিলো। আব্রাহাম লিংকন, যিনি দাসদেরকে মুক্ত করার জন্য বিল পাশ করাতে পেরেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন রিপাবলিকান। তিনি তার মুক্তচিন্তার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। সেখান থেকে আজ ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলে পরিণত হয়েছে রিপাবলিকানরা। কিভাবে এই রকম পট পরিবর্তন হয়ে গেলো? সেটা নিয়েই ভিডিওটা।

From White Supremacist to Barack Obama –

ডেমোক্র্যাটরা একসময় ছিলো শুধুমাত্র শ্বেতাঙ্গ সমর্থনকারী দল। সেখান থেকে কী আমূল পরিবর্তন হলো, যেখান থেকে এটার নমিনেশন পেয়ে প্রেসিডেন্ট হয়ে গেলো কৃষ্ণাঙ্গ বারাক ওবামা। এখানে একটার ভেতরে দুটো ভিডিও ঢুকিয়ে দিলাম।

3) Color film was built for white people.

একসময় ছবি ছিলো সাদাকালো। এরপর এলো রঙিন ফিল্ম। কিন্তু সেই ফিল্মে একটা সমস্যা দেখা দিলো। শ্বেতাঙ্গদের ছবি এটাতে ঠিকঠাকই আসতো, কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গদের চামড়ার অংশটুকু কোনোভাবেই ঠিকমত ফুটে উঠতো না, স্বাভাবিকভাবে যেমন দেখা যাওয়ার কথা তেমন দেখা যেত না। আর কারণটা নিশ্চয়ই শিরোনাম দেখেই বুঝতে পারছেন।

4) Rise of ISIS in 6 min –

আইসিস (ISIS) – Islamic State of Iraq and Syria, এক দশক আগেও তো এদের নাম তেমন কেউ জানতো না। কিন্তু এখন আইসিস বললেই সবাই এই সন্ত্রাসী সংগঠনটিকে একনামে চেনে। কিভাবে তারা এত (কু)খ্যাতি অর্জন করলো? দেখুন মাত্র ৬ মিনিটে।

5) Why Obama is one of the most consequential presidents –

সেই ১৭৯০ এর সময় থেকেই আমেরিকাতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হচ্ছে। অনেক প্রেসিডেন্টকে মানুষ মনে রেখেছে (কারণটা ভালো খারাপ যাই হোক না কেন), অনেককে ভুলে গেছে। একটা প্রেসিডেন্ট হয়তো নিজ সময়ে অনেক জনপ্রিয় ছিলো, কিন্তু সে আসলে মনে রাখার মত কোনো কাজ করেনি, যেমন সাম্প্রতিক সময়ে বিল ক্লিনটন। কিন্তু বারাক ওবামা তেমন নন, তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাসের পাতায় হাজির থাকবেন। কারণটা দেখুন এই ভিডিওতে।

6) How North Korea got so crazy?

সাউথ কোরিয়া আর নর্থ কোরিয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক। একনায়ক শাসক, ঘন ঘন পারমাণবিক অস্ত্র হামলার হুমকি, অভাব – সব মিলিয়ে নর্থ কোরিয়া একটা বিতিকিচ্ছিরি দেশ। কিভাবে তারা এতটা পাগলাটে হয়ে উঠলো, সেই ইতিহাস জানতে দেখুন এখানে।

7) Three big reasons war is going away –

বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আমরা আমাদের লিখিত ইতিহাসের অন্যতম শান্তির সময়ে বাস করছি। এখন হয়তো আপনার জীবনে অনেক আপত্তি আছে, কিন্তু অন্তত এটুকু জেনে রাখুন, বিশ্ব শান্তির অবস্থা ইতিহাসের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো। যুদ্ধ আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, এবং এটার পেছনের তিনটা বড় কারণ দেখুন এখানে।

8) How America became a superpower?

ইতিহাস ঘাঁটলে আমরা দেখতে পাবো যে, চীন অথবা ভারত ছিলো একসময়কার সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র। এরপর স্পেন আর ব্রিটেন সেই পদ আসীন করে ছিলো। কিন্তু আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর শুধু এখনকার সময়ের নয়, আসলে ইতিহাসের কোনো অংশেই যুক্তরাষ্ট্রের মত শক্তিশালী কোনো দেশ ছিলো না। কিভাবে আমেরিকা এত শক্তিশালী একটা দেশে পরিণত হলো? দেখে নিন এই ভিডিওতে।

9) Why every Meme uses the same font? –

আপনারা নিশ্চয়ই হাস্যরসাত্মক ক্যাপশনওয়ালা ছবি (মিম) দেখেছেন। এবং হয়তো খেয়ালও করেছেন যে সবগুলো মিমের ক্যাপশনেই একই ফন্ট ব্যবহার করা হয়। মিমটা দুনিয়ার যে প্রান্তে যেই বানাক না কেন, ফন্ট ওটাই থাকে। এটা কিভাবে এলো? কিভাবে এত জনপ্রিয় হয়ে গেলো? দেখুন এই ভিডিওতে।

10) Why people never smiled in old photos? –

আগেকার ছবিগুলোতে মানুষ আসলেই হাসতো না। সবার মুখ দেখলেই খুব রাশভারী আর গম্ভীর মনে হতো। একই জিনিস আমি খেয়াল করেছিলাম পেইন্টিংগুলোর মধ্যেও। তাদের হাসির অনুপস্থিতির অর্থ কিন্তু এই নয় যে আগেকার দিনের লোকেরা আমাদের চেয়ে বেশি অসুখী ছিলো। কিন্তু ছবিতে হাসি না থাকার পেছনে একটা সুন্দর ব্যবহারিক কারণ আছে।

11) How did pink become a girly color?

গোলাপি মেয়েলি রঙ – জামা কিনতে গিয়ে অন্যদের কাছ থেকেও এই কথা শুনেছেন, এবং স্বীকার করে নিন যে নিজেও এই কথা বলেছেন। কিন্তু জানেন, কিভাবে গোলাপি রঙটা মেয়েদের কপালে সেঁটে বসে গেলো?……… এজন্যেই Vox চ্যানেলটা আমার মাথা নষ্ট করে দেয়। কত সহজ প্রতিদিনকার একটা পর্যবেক্ষণ, এটার পেছনে যে ইতিহাসের নির্দিষ্ট একটা পর্যায়ের কারণ থাকতে পারে, সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার জন্যেই ভক্সকে ভালোবাসি।

12) Why cursive handwriting is dying?

ছোটোবেলায় আমাদের অনেককেই টানা হাতের লেখা শিখতে হয়েছিলো। কী ঝামেলার ব্যাপার! একবার লেখা তো শিখেই ফেলেছি, তারপর আবার নাকি হাতের লেখা শিখতে হবে! সুখের ব্যাপার হচ্ছে, এখন আর টানা হাতের লেখার ওপর এতো জোর দেয়া হয় না।

উপসংহার

ইন্টারনেটে এমন চমৎকার ভিডিও আরো অনেক আছে। অন্য কিছু চ্যানেলের আরো কিছু ভিডিও নিয়ে পরে আরেকটা তালিকা প্রকাশ করার ইচ্ছে আছে। আপাতত এটুকু থাক। আমার ধারণা, ভক্সের এই ভিডিওগুলো আপনার জ্ঞানভাণ্ডার আর মানসিক জগতকে অনেক উন্মুক্ত করে দেবে।

Comments

ফরহাদ হোসেন মাসুম

ফরহাদ হোসেন মাসুম

বিজ্ঞান একটা অন্বেষণ, সত্যের। বিজ্ঞান এক ধরনের চর্চা, সততার। বিজ্ঞান একটা শপথ, না জেনেই কিছু না বলার। সেই অন্বেষণ, চর্চা, আর শপথ মনে রাখতে চাই সবসময়।

আপনার আরো পছন্দ হতে পারে...

মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানান

সবার আগে মন্তব্য করুন!

জানান আমাকে যখন আসবে -
avatar
wpDiscuz