অমরত্বের গবেষণায় বিজ্ঞান : দ্বিতীয় পর্ব – প্রকৃতিতে অমরত্বের হাতছানি

প্রথম পর্ব ছিল জীবন, মৃত্যু, প্রাণ, চিকিৎসাবিজ্ঞানে মৃত্যুর ধারণা এবং মানুষের প্রাণ সংশয়কারী অবস্থা নিয়ে। মৃত্যু সম্পর্কে ধারণার পরে এবার তাহলে আমরা অমরত্বের বিষয়ে নজর দিতে পারি। অমরত্বের ভাবনার ক্ষেত্রে প্রথমেই প্রকৃতির দিকে চোখ ফেরানো যাক। ভাল করে লক্ষ্য করলে প্রকৃতিতেই খুঁজে পাওয়া যায় অমরত্বের বীজ। প্রকৃতির লাখো প্রজাতির নানা রকম বৈশিষ্ট্য থেকে কিছু বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই হয়ত লুকিয়ে আছে অমরত্বের ঠিকানা। যেসব শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও প্রতিকূল পরিবেশ, মানুষের সীমাবদ্ধতা ও মৃত্যুর কারণ হিসেবে দেখা যায়; কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে তা কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনাই না। সেসব প্রতিকূল অবস্থা কিছু প্রাণী প্রতিরোধ করতে সক্ষম প্রাণের ঝুঁকি না নিয়েই। এমনই কিছু প্রাণীর খোঁজ ও তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়েই এ পর্ব সাজানো হয়েছে।

AMOEBA (অ্যামিবা)

প্রকৃতিতে অমরত্বের খোঁজে গেলে প্রথমেই যে অমরত্ব নজরে পড়বে তা খালি চোখে দেখা যায় না। সে অমরত্ব লুকিয়ে আছে আণুবীক্ষণিক এককোষী জীবদেহে। যেমন অ্যামিবা। Acanthamoeba, Balamuthia, and Naegleria ইত্যাদি এককোষী অ্যামিবা গোত্রীয় জীবগুলোকে আক্ষরিক অর্থেই অমর বলা যেতে পারে। শুধু বার্ধ্যক্যহীনতাই নয়, প্রতিকূল পরিবেশে ‘সিস্ট’ গঠনের মাধ্যমে জীবনধারণের অনুপযোগী পরিবেশেও সর্বনিম্ন শ্বসন ও বিপাকীয় কার্যক্রম চালিয়ে অবস্থায় বেঁচে থাকতে সক্ষম এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবসত্তা। এই জীবগুলোর জীবন চক্রে দুটি ধাপ – Trophozoite stage এবং Cyst stage.

যখন অ্যামিবা অনুকূল পরিবেশ ও পর্যাপ্ত খাদ্য পায় তখন খাদ্য গ্রহণ করে আকৃতিতে বড় হয় ও মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি থেকে দুটি কোষ তথা দুটি অ্যামিবাতে পরিণত হয়। এভাবেই এসব এককোষী অ্যামিবা অনুকূল পরিবেশে বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এককোষী অ্যামিবা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে (মাতৃ অ্যামিবা) আকৃতিতে বৃদ্ধিপেয়ে বিভাজিত হয় দুটি শিশু অ্যামিবাতে (অপত্য অ্যামিবা) পরিণত হচ্ছে এবং নতুনভাবে জীবন চক্র শুরু করছে। এই ধাপকে অ্যামিবার জীবনচক্রের Trophozoite stage বলা হচ্ছে।

আর যখন প্রতিকূল পরিবেশে ও খাদ্যের অপ্রতুলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় অ্যামিবাকে তখন এটি Cyst stage এ প্রবেশ করে। সেসময় অ্যামিবা একেবারে সর্বনিম্ন পর্যায়ে শ্বসন ও বিপাকীয় কার্যক্রম চালিয়ে পুরোপুরি অজৈব পদার্থের মত আচরণ করে। তখন অ্যামিবাতে জীবের কোন বৈশিষ্ট্যই পরিলক্ষিত হয় না। একে অ্যামিবার ‘সিস্ট’ বলা হয়। পুনরায় অনুকূল পরিবেশ ফিরে আসলে অ্যামিবা সিস্ট অবস্থা থেকে ‘জেগে ওঠে’ ও আবার জৈবিক কার্যক্রমে ফিরে যায় এবং Trophozoite stage এ বংশবৃদ্ধি করে।

দেখা যাচ্ছে অ্যামিবার জীবনচক্রে দুটো ধাপ। একটি সক্রিয় ধাপ আরেকটি নিষ্ক্রিয় ধাপ। অনুকূল পরিবেশে সক্রিয় ধাপে অ্যামিবা জীবের মত আচরণ করে, খাদ্যগ্রহণ করে ও বংশবৃদ্ধি করে। প্রতিকূল পরিবেশে অ্যামিবা জড় পদার্থের মত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে ও কোনোপ্রকার জৈবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে না। এদের জীবনচক্রে বংশবৃদ্ধি থাকলেও মৃত্যু অনুপস্থিত। যখন মৃত্যুর জন্য উপযোগী কঠোর পরিবেশ সমাগত তখন দেখা যায় অ্যামিবা মৃতের মত পড়ে থাকে অনুকূল পরিবেশ পাবার পূর্ব পর্যন্ত। অনুকূল পরিবেশ পেলেই আবার যেন ‘জীবিত’ হয়ে ওঠে ‘মৃতপ্রায় অ্যামিবা’।

এধরনের অ্যামিবাগুলো সচরাচর জীবদেহে পরজীবী (parasite) হিসেবে সংক্রমণ করে থাকে ও জীবদেহে বংশবৃদ্ধি করে। যেমন Entamoeba মানুষের অন্ত্রে বাসা বাঁধে ও বংশবৃদ্ধি করে। ফলশ্রুতিতে মানুষ আমাশয় রোগে আক্রান্ত হয়। ঔষধ সেবনে অন্ত্রে এন্টামিবা’র জন্য প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি হয় ও তাতে অন্ত্রে থাকা এন্টামিবা সিস্ট ধাপে প্রবেশ করে। যখন সেগুলো সিস্ট আকার ধারণ করে তখন তাদের কার্যকারিতা বন্ধ হয়ে যায়, সেগুলো অজৈব পদার্থের মত আচরণ করে ও অন্ত্র থেকে বর্জ্যের সাথে নিষ্কাশিত হয়। এভাবে রোগী আরোগ্য লাভ করে। কিন্তু এই অ্যামিবাগুলো দেহ থেকে নিষ্কাশিত হলেও ‘মারা যায়নি’। যখনি পানি, ফলমূল বা অন্য কোনো উপায়ে এই সিস্ট অ্যামিবা অন্য কোন মানুষের অন্ত্রে প্রবেশ করবে তখনি সেটি আবার Cyst stage থেকে Trophozoite stage এ ফিরে গিয়ে সক্রিয় হয়ে বংশবৃদ্ধি করা শুরু করে।

Entamoeba Histolytica – আমাশয় রোগের পরজীবী অ্যামিবা

অণুজীব বিজ্ঞানীগণ এখনো অ্যামিবার সিস্ট অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়া ও সিস্ট থেকে সক্রিয় অবস্থায় ফিরে আসার পরিপূর্ণ পদ্ধতি আবিষ্কারে গবেষণা করে যাচ্ছেন। এটি সম্পূর্ণভাবে বোঝা সম্ভব হলে তা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসা এবং পরজীবীর আক্রমণে সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tardigrade / Water Bear

টার্ডিগ্রেড বা ওয়াটার বিয়ার বা পানি ভালুক

আট পা বিশিষ্ট আণুবীক্ষণিক এই জীবটি খুবই আশ্চর্যজনক ও খুবই অসাধারণভাবে উচ্চ মাত্রার প্রতিকূল অবস্থা সহ্যক্ষমতা সম্পন্ন একটি জীব। ১৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস উত্তপ্ত হওয়া থেকে শুরু করে -২৭১ ডিগ্রী সেলসিয়াস মানে প্রায় পরম শূন্য তাপমাত্রা কাছাকাছি জমে যাওয়া তাপমাত্রাতেও এরা বেঁচে থাকতে সক্ষম, ভূপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রায় ৬০০ গুণ চাপ পর্যন্ত গভীর সমুদ্র তলদেশের অতি উচ্চচাপ, কিছুতেই যেন কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই তার। এগুলো যেন কোনো প্রতিকূলতাই নয় তার কাছে। আবার পানিশূন্য অবস্থায় এমনকি উচ্চ তেজস্ক্রিয়তা সম্পন্ন মহাকাশেও দিব্যি বেঁচে থাকতে সক্ষম বছরের পর বছর কোনোরকম অক্সিজেনের সংস্পর্শ ছাড়াই। প্রতিকূল অবস্থায় এটি এর পা ও মাথা শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলে, দেহের ৯৫ শতাংশ পানি বের করে দেয় এবং এর শ্বসন প্রক্রিয়ার মাত্রা সাধারণ অবস্থার ০.০১ শতাংশেরও নিচে নামিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে অনুকূল পরিবেশ পাবার জন্য।

পানিশূন্য (প্রায়) টার্ডিগ্রেড

পরবর্তীতে পানির সংস্পর্শে আসলে আবার স্বাভাবিক জীবন শুরু করে। এভাবে পানি ও অক্সিজেন ছাড়া এরা বছরের পর বছর জীবিত থাকে; প্রয়োজনে অন্ততপক্ষে দশ বছর পর্যন্ত। যেখানে এ দুটো উপাদানের অনুপস্থিতি জীবনধারণের অনুপযুক্ত পরিবেশ হিসেবে বিবেচিত হয় সর্বদা সেখানে টার্ডিগ্রেড এর জন্য এটি মোটেও প্রাণসংশয়কারী পরিবেশ নয়। এতে প্রতীয়মান হয় যে আমরা যে পরিবেশগত অবস্থাকে নিশ্চিত মৃত্যু বিবেচনা করছি, এই পৃথিবীর কোনো কোনো প্রাণই সেখানে বেঁচে থাকার মত বৈশিষ্ট্যে বিবর্তিত হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই; যা প্রতিকূল পরিবেশে মানুষকেও বাঁচিয়ে রাখার আশা জাগায়। এমনকি মানবদেহের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে টার্ডিগ্রেডের জিন ব্যবহার করা যেতে পারে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন জিন প্রকৌশলীগণ।

Axolotl

Axolotol – বিস্ময়কর উভচর

মাছের মত পাখনা আবার হাত পা এর মত অঙ্গ বিশিষ্ট এই প্রাণীটি উভচর গোত্রের প্রাণী। এই প্রাণীটিকে বিশেষত্ব দান করেছে এর অসাধারণ একটি বৈশিষ্ট্য। সেটি হচ্ছে Body part Re-generation বা দেহাংশের পুনরুৎপাদন।

কোষ কিংবা টিস্যু প্রতিস্থাপন, পুনরুৎপাদন বৈশিষ্ট্যটি সীমিত পরিসরে অনেক প্রাণীতেই আছে। যেমন মানুষের ক্ষেত্রে ত্বকের মৃত কোষ নতুন কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়, পুরে গেলে বা কেটে গেলে সেখানে চামড়া নতুনভাবে তৈরি হয়। টিকটিকি বিপদ দেখলে নিজের লেজ খসিয়ে দেয় সেই লেজ আবার তৈরি হয়। মানুষের যকৃতের আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি নতুন কোষ দিয়ে নিরাময় হয়, ছোটবেলায় একবার দাঁত উঠে সেগুলো পড়ে গিয়ে দ্বিতীয়বার এবং শেষবারের মত নতুন দাঁত গজায়। হাঙ্গরের চোয়ালের শক্তি এতই বেশি যে চোয়ালের আঘাতে হাঙ্গরের দাঁত খুলে অনেকসময় শিকারের গায়ে লেগে থাকতে দেখা যায়। হাঙ্গরের দাঁত নিয়মিতই পরে আবার নতুন করে গজায়। কিন্তু এই উভচরের স্বাতন্ত্র্য হচ্ছে এটি এর দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পুরোপুরিভাবে পুনরুৎপাদন করতে সক্ষম। এই প্রাণীর ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেহাংশ নিরাময় ও নতুন করে তৈরি করার ক্ষমতা অবিশ্বাস্য!

মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে স্পাইনাল কর্ড বেঁচে থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। কিন্তু এই প্রাণীর ক্ষেত্রে স্পাইনাল কর্ড কেটে গেলে, ভেঙ্গে গেলে, চাপ বা আঘাতে গুড়ো হয়ে গেলে এমনকি স্পাইনাল কর্ডের আংশিক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও এটি বেঁচে থাকে এবং সেই ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনরায় তৈরি হয়। প্রতিটি টিস্যু পূর্বাবস্থায় ফিরে যায়। এমন ঘটনা শতাধিকবার হলেও ততবারই পুনরুৎপাদন ঘটে ও সঠিকভাবেই নিরাময় হয়। এছাড়াও এদের হাতের মত দেহাংশ, চোয়াল, লেজ, চামড়া ইত্যাদি অনেক দেহাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর সুচারুভাবে পুনরুৎপাদিত হয় প্রাণসংশয়কারী অবস্থায় না ফেলেই। যেখানে মানুষের হাত, পা বা দেহের বড় একটি অংশের বিচ্ছিন্নতার কারণে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পেলে রক্তক্ষরণেই একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করতে পারে, সেখানে দেহের বড়বড় অংশগুলোর বিচ্ছিন্নতা এই প্রাণীকে ভাবায় না বললেই চলে।

দেহাংশ প্রতিস্থাপন করা হলে তাদের প্রতিস্থাপিত দেহাংশ গ্রহণ করার ক্ষমতাও অনেক বেশি। মানুষের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে দাতা এবং গ্রহীতার অঙ্গ নানারকমভাবে মিলিয়ে নেয়া হয়, তারপরেও প্রত্যাখ্যানের সম্ভাবনা থেকে যায়। এদিক দিয়েও Axolotol সফলভাবে ও সহজেই অন্যজনের অর্গান গ্রহণ করতে পারে।

Turritopsis Nutricula

Turritopsis Nutricula – Biologically immortal Jellyfish

এখন যে প্রাণীটির কথা বলছি সেটিকে জৈবিকভাবে অমর বলা যেতে পারে। Turritopsis nutricula এক প্রকার জেলিফিশ। ভূমধ্যসাগর ও জাপান সাগরে এদের দেখা পাওয়া যায়। আমরা যেটাকে স্বাভাবিক মৃত্যু বা বার্ধক্যজনিত মৃত্যু বলে থাকি তা এই প্রাণীর জন্য প্রযোজ্য নয়। এই জেলিফিশ পূর্ণবয়স্ক অবস্থা প্রাপ্ত হবার পর পুনরায় শিশুকালের পলিপ অবস্থায় (Polyp Stage) ফিরে আসতে সক্ষম। এভাবে বারংবার তারা শিশু অবস্থা থেকে পূর্ণবয়স্ক এবং প্রাপ্তবয়স্ক হবার পরে আবার শিশু অবস্থায় ফিরে এসে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে সক্ষম।

Life Cycle of Turritopsis Nutricula

এজন্য প্রাণীজগতে এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া বহুকোষী প্রাণীদের মধ্যে একেই একমাত্র অমর বা ‘Biologically Immortal’ বলা হয়ে থাকে। এই জেলিফিশের জিনোম সিকোয়েন্স থেকে হয়ত ভবিষ্যতে খুঁজে পাওয়া যাবে বার্ধক্য বিষয়ক অজানা সব তথ্য যার মধ্য দিয়ে চিরতারুণ্যের পথে মানুষে এগিয়ে যাবে বড় একটি ধাপ।


পৃথিবীতে প্রাণের আবির্ভাবের পর কোটি বছরের বিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের ধারায় এসকল প্রাণীর এমন সব বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে। কালের পরিক্রমায় মানুষ যদি এমন সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেই ফেলে তখন হয়ত সেই মানুষই হয়ে উঠবে ‘অমর মানব’। তাছাড়া অত্যাধুনিক ন্যানো টেকনোলজি ও জিন প্রকৌশল যেভাবে উত্তর উত্তর অগ্রগতি লাভ করছে তাতে হয়ত কোটি বছরের বিবর্তনের অপেক্ষা না করে এসকল প্রাণীর জিনকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষাগারে জীববিজ্ঞানীগণ জেনেটিক্যালি মডিফাইড ‘অমর মানব’ তৈরি করে ফেললেও খুব বেশি অবাক হবার কিছু থাকবে না।

তথ্যসূত্র 

১. The immortal amoeba: a useful model to study cellular differentiation processes? – National Center for Biotechnology Information, USA

২. The Tardigrade: Practically Invisible, Indestructible ‘Water Bears’ – The New York Times

৩. Tough Tardigrades – American Museum of Natural History

৪. Tiny Animals Survive Exposure to Space – European Space Agency (ESA)

৫. Tardigrade protein helps human DNA withstand radiation – The Nature Journal

৬. Regeneration: The axolotl story – The Scientific American

৭. ‘Immortal’ jellyfish swarming across the world – The Telegraph

৮. The conserved mitochondrial gene distribution in relatives of Turritopsis nutricula, an immortal jellyfish – National Center for Biotechnology Information, USA

Comments

S. A. Khan

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কাছে পরাজিত সকল বাঁধা।

আপনার আরো পছন্দ হতে পারে...

মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানান

সবার আগে মন্তব্য করুন!

জানান আমাকে যখন আসবে -
avatar
wpDiscuz