ভিক্টর গ্রিনিয়ার্ডের সংক্ষিপ্ত জীবনী

রসায়নে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী ভিক্টর গ্রিনিয়ার্ড

জন্ম – ১৮৭১ সালের ০৬ই মে

মৃত্যু – ১৯৩৫ সালের ১৩ই ডিসেম্বর

Viktor-grignard

অমিতাভ বচ্চনের শারাবী সিনেমাতে একটা চরিত্র ছিলো, নত্থুলাল। তার সেরকম গোঁফ নিয়ে অমিতাভের চরিত্রটি প্রায়ই বলতো, “মুছে হো, তো নত্থুলাল জ্যায়সা হো, ভারনা না হো”… অর্থাৎ, “মোচ হইলে নত্থুলালের মত, নাইলে দরকার নাই”

ভিক্টর গ্রিনিয়ার্ডকে প্রথমবার দেখে এই কথাটা মনে এলে কি নিজেকে দোষ দিতে পারবেন? এই লোকটা ১৯১২ সালে নোবেল পুরষ্কার জিতেছিলেন (এক জার্মান বিজ্ঞানীর সাথে যৌথভাবে), গ্রিনিয়ার্ড বিক্রিয়ার ফর্মূলা দেয়ার জন্য।

১৯০১ সালে তিনি অ্যালকাইল ম্যাগনেসিয়াম হ্যালাইড আবিষ্কার করেছিলেন। জৈব সংশ্লেষণের জন্য এই বিক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটার সরল রাসায়নিক গঠন হচ্ছে R-Mg-X… এখানে R – একটা জৈব গ্রুপ, Mg যে ম্যাগনেসিয়াম তা তো বোঝেনই, আর X হচ্ছে ব্রোমিন, ক্লোরিন, আয়োডিন এর মত হ্যালোজেন। দ্বিতীয় বা তৃতীয় মাত্রার এলকোহল, হাইড্রোকার্বন, কার্বক্সিলিক এসিড – অনেককিছু সংশ্লেষণ করা যায় এই বিক্রিয়ার মাধ্যমে।

Comments

বিজ্ঞানযাত্রা

বিজ্ঞানযাত্রা

বিজ্ঞানযাত্রা কর্তৃপক্ষ।

আপনার আরো পছন্দ হতে পারে...

মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানান

সবার আগে মন্তব্য করুন!

জানান আমাকে যখন আসবে -
avatar
wpDiscuz